মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ঈদগাঁও ইউনিয়নের ইতিহাস

কক্সবাজার সদরের সমৃদ্ধ ও বর্ধিষ্ণু জনপদ "ঈদগাঁও" গৌড়যুগে পরিচিত ছিল নয়াবাদ নামে তখন মোঘল সাম্রাজের অন্মিকাল। উত্তরাধিকারের ভ্রাত্বঘাতীযুদ্ধে পরাজিত হয়ে মোঘল সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহসুজা সৈন্যসামন্ত নিয়ে ভারতবর্ষ থেকে আরাকান পালিয়ে যাওয়ার সময় তৎকালীন নয়বাদ এলাকায় পৌছলে পবিত্র ঈদুল ফিতর সমাগত হওয়ায় এখানে সৈন্য সামান্ত,আমির ওমরা সহ ঈদের নামাজ আদায় করেন। তৎকালীন নয়বাদ তখন থেকেই ঈদগাঁও নামে পরিচিত হয়। শাহাজাদা সুজা ঈদের নামাজ আদায় করে পুনরায় আরাকান অভিমুখে যাত্রা করলেও মুঘল রাজপুত্রের ঈদের নামাজের স্মৃতি বিজড়িত অত্র স্থান কালক্রমে ঈদগাঁও নামেই পরিচিতি লাভ করে ও পরবতীতে বৃট্রিশ আমলে বিভিন্ন সরকারী নথি পত্রে ঈদগাও নামে লিপিবদ্ধ ও পরিচিত হয়।

ঈদগাওর ইতিহাস ঐতিহ্য - ২

প্রাচিন নয়াবাদের ঈদগাহ থেকে ঈদগাঁও

 ‘‘ঈদগাও’’ শব্দটিকে অনেকে ‘‘ঈদগাহ’’ আবার কেউ কেউ ‘‘ঈদগাও’’ নামে ব্যবহার করে থাকেন।শব্দটি নিয়ে দ্বন্ধও হয় প্রায়শ।আসলে মুল শব্দটি ‘‘ঈদগাহ’’।অর্থ হচ্ছে ঈদের নামাযের স্থান, মাঠ। সম্রাট শাহ সূজার ঈদেরনামায আদায়কে ঘিরে মূলত এতদাঞ্চলের নামকরণ।যাত্রাপথে সম্রাট বহর এখানকার একটি নির্দ্দিষ্ট স্থানে তিনি ও তার সৈন্যরা ঈদের নামায আদায় করেন।তাই উক্ত স্থানের নামকরন হয় ঈদগাহ।কোন জায়গায় নামায পড়া হয় তার সঠিক তথ্য কেউ প্রমাণ সহকারে দিতে না পারলেও বয়োজৈষ্ট মুরববীদের মুখ থেকে যা জানা গেছে তা হচ্ছে বর্তমান ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ইউছুপেরখীল গ্রামেই ঐতিহাসিক ঈদের নামায আদায় করা হয়েছিল যেহেতু শব্দটি একটি নিদ্দিষ্ট স্থানের সেহেতু ঈদগাহ শব্দটি একটি  নির্দ্দিষ্ট স্থান বা প্রতিষ্টানের ÿÿত্রে বুঝানো হয়। ’গাঁও মানে গ্রাম।’গাহ শব্দাংশ দিয়ে স্থান বা জায়গা বুঝতে পারি।যেমন-এলাকার শিÿা প্রতিষ্টানের নামগুলোর ÿÿত্রে ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাহ জাহানারা ঈসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ঈদগাহ আদর্শ শিÿা নিকেতন।অন্যদিকে ‘‘ঈদগাও’’ শব্দটি ব্যাপক অর্থে ব্যবর্হ্ত হয়। বিশাল এলাকা বেষ্টিত কতগুলো গ্রাম নিয়ে  ইউনিয়ন গঠিত।সে ÿÿত্রে নাম  ব্যবহার করা হয় ‘‘ঈদগাও’’। যেমন- ঈদগাও ইউনিয়ন পরিষদ, ঈদগাও বাজার, ঈদগাও পুলিশ তদমত্ম কেন্দ্র ইত্যাদি নামকরনে ব্যবহার করা হয়েছে।ভবিষ্যত উপজেলা নামকরনের ÿÿত্রে ‘‘ঈদগাও’’ নামকরন আসছে।অন্যদিকে এতদাঞ্চল হতে ইতোপুর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন সাহিত্য ও উন্নয়নধর্মী পত্রিকা যেমন-ঈদগাও বার্তা, ঈদগাও কণ্ঠ, ঈদগাও দর্পণ, আলোকিত ঈদগাও, ঈদগাও পত্র, ও অন লাইন পত্রিকা ঈদগাও নিউজ ডট কম. সহ আরো অনেক প্রকাশনায় ঈদগাও শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে ব্যাপক অর্থ প্রকাশের জন্য।   ঈদগাও, ইসলামাবাদ, জালালাবাদ, পোকখালী, ইসলামপুর, চৌফলদন্ডী, ভারম্নয়াখালী এ ৭ টি ইউনিয়ন একিভূক্ত  ‘‘নয়াবাদ’’ নামে ছিল।যার সুত্র পুরনো দলিলপত্রের।সম্রাট শাহ সুজার ইতিহাস সৃষ্টির  পরে নামকরন হয়  ঈদগাও।জনসংখ্যা বৃদ্ধি, চাহিদা ও ভৌগলিক কারনে একিভহত ঈদগাও ভাগ হয়ে চৌফলদন্ডী, পোকখালী ও ঈদগাও এ ৩টি আলাদা ইউনিয়নে রম্নপ নেয়।পরবর্তীতে চৌফলদন্ডী ভাগ হয়ে ভারম্নয়াখালী ও চৌফলদনডী এবং পোকখালী ভাগ হয়ে ইসলামপুর ও পোকখালী হিসেবে রম্নপ লাভ করে।৮০’র দশকে ঈদগাও ভাগ হয়ে ইসলামাবাদ, জালালাবাদ ও ঈদগাও এ ৩ টি পৃথক ইউনিয়নে পরিণত হয়।অদুর ভবিষ্যতে ঈদগাও ও ইসলামাবাদ এ দু ইউনিয়ন আবারো ভাগ হয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।ঐতিহাসিক সেই শাহ সুজার স্মৃতি বিজড়িত ঈদগাও যতই ভাগ হচ্ছে ততই এর গুরম্নত্ব বৃদ্বি পাচ্ছে নামটির।নামটির ÿয় নেই।অÿয় হয়ে থাকবে।ঈদগাও নামটি শুধু ঈদগাও ইউনিয়নবাসীর নয়, বৃহত্তর ৭ ইউনিয়নের। ঈদগাহ, ঈদগাও নাম আমাদের ইতিহাস, আমাদের ঐতিহ্য।আমরা যদি হই পোকখালির বা ইসলামপুরের অথবা চৌফলদন্ডীর বা ইসলামাবাদ, জালালাবাদ ও ভারম্নয়াখালীর অধিবাসি তবে  কক্সবাজার বা পাশ্ববর্তী কোথাও গেলে আমরা প্রথমত: ঈদগাওর লোক বলে পরিচয় দিই।

ঈদগাওর ইতিহাস ঐতিহ্য-৩

জমিদারশাসিত প্রথাবিলুপ্ত হচ্ছে ধীরে ধীরে

১৯০০ সাল শুরম্নর পর তৎকালীন  ব্রিটিশ সরকার আমলে  বৃহত্তর ঈদগাও সহ বিশাল এলাকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন বর্তমান কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক মোসত্মাক আহমদ চৌধুরীর দাদা মোজাফ্ফর আহমদ চৌধুরী।তৎসরকার তাকে ‘‘খান ছাহেব’’ উপাধি দিয়েছিলেন।সে সময়কার আমলে চৌফলদন্ডীই ছিল বৃহত্তর ঈদগাওর রাজধানী। শাসন, সংরÿন, হকুম জারী সহ যাবতীয় কাজ কর্ম সম্পাদন হতো খান ছাহেবের কাচরী হতে।লোকজনকে চৌফলদন্ডী না গেলেই কোন কাজ  হতো না। বর্তমান চৌফলদন্ডীর খামার পাড়ায় ইতিহাসের স্বাÿী হয়ে রয়েছে খান ছাহেব বাড়ি এবং পাহাড়ের উপরে কাচারীতে উঠার বিভিন্ন সিড়ি।যেখানে বসে তিনি পুরো এলাকার শাসন পরিচালনা করতো। ঈদগার উন্নয়নে তাঁর ছিল অনন্য দরদ।তার নিজের জায়গায় প্রতিষ্টা করেন এম ই স্কুল।যা বিবর্তন হয়ে বর্তমানের  ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও  ঈদগাও সরকারী প্রাইমারী স্কুল।কিন্তু স্কুল সংলগ্ন মার্কেটে দেরিতে হলেও খান ছাহেবের নামটি স্থান পেয়েছে। শিÿা প্রতিষ্টানসমূহ কালের স্বাÿী হয়ে আজো সুমহিমায় দাড়িয়ে আছে। তারই সহধর্মীনি আলমাছ খাতুনের নামে বিপুল সম্পত্তি দানপূর্বক দ্বীনি শিÿা প্রসারের জন্য স্থাপন করেন ঈদগাহ আলমাছিয়া মাদ্রাসা।যা বর্তমানে কামিল সত্মরের পর্যায়ে।উক্ত মাদ্রাসা হতে অসংখ্য আলেম ওলামা বের হয়েছে ও হচ্ছে।চেী ফলদন্ডী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়,  খামার পাড়া জামে মসজিদ সহ কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে  অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসা ও শিÿা প্রতিষ্টান গড়ে তুলেছেন তিনি।হিসেব বিহীন অনেক বসতবাড়ি গড়ে তোলে তার জায়গার উপর যুগ যুগ ধরে বসবাস করছে। শেষ পর্যায়ে এ জমিদার  ১৯৩৬ সালে হজ্বে গিয়ে আর ফিরে আসেনি।এসব জমিদারীর নেতৃত্ব দিয়ে যচ্ছেন মোসত্মাকআহমদ চৌধুরী ও কানিজ ফাতেমা আহমদ।পরবর্তী  সময়ে মোজাফ্ফর আহমদ চৌধুরীর চেয়ে অনেক ছোটখাট জমিদার শ্রেনিগোষ্টি এতদাঞ্চলের শাষনকার্য পরিচালনা করতো। বর্তমান মাছুয়াখালীর আমির মোহাম্মদ সিকদার ছিলেন একজন জমিদার। ঈদগাওর প্রতি ছিল তার অকৃত্রিম ভালবাসা। বর্তমান কেন্দ্রীয় মসজিদ হিসেবে  ঈদগাও বাজারে যে সুবিশাল মসজিদ টি রয়েছে সেটি ১৯৪৬ সালে অমির মোহাম্মদ সিকদার সর্বপ্রথম পাকা করেন এবং ১৯৫৭ সালে তিনি ৮ কানি জমি মসজিদের নামে রেজিষ্ট্রি করে দেন। তার পিতা মাগন আলী সিকদার ১৯০৫ সালে তার নিজের ১২ শতক জায়গায় কাঠের তৈরি ছনের ছানির গৃহে উক্ত মসজিদ প্রতিষ্টা করেন।পার্শ্বে একটি পুকুরও খনন করা হয়। যা পরে ভরাট করা হয়েছে।সে সময়কার আমলে জমিদার- জমিদার  প্রতিদ্বন্ধি চলতো।নিমণ আয়ের লোকজন প্রতিদ্বন্ধী  করার সাহস পেতো না। এমনকি আর্থিক দিক থেকে তেমন অধিক সচ্ছল ব্যক্তি ছিল না। অর্থবিত্ত্বধারী ব্যক্তিদের মধ্যে হতো ÿমতার তীব্র প্রতিযোগিতা। আইয়ুব খানের শাষনামলে ১৯৬০ এর দশকে  বৃহত্তর ঈদগাওর শাষনকর্তা ছিলেন ফরাজি পাড়ার  তৈয়ব উলস্নাহ ফরাজী। এরপর ১৯৭০ দশকের শুরম্নতে শাসন কার্যের দায়িত্ব পায় আরেক ভু সম্পত্তির মালিক সিকদার পাড়ার নুরম্নল ইসলাম চৌধুরী প্রকাশ বেদার মিয়া। এ সময়ে মেম্বার ছিলেন আরেক জমিদার জালাল আহমদ ফরাজী, আবু খলিফা, মোজাফ্ফর আহমদ মেম্বার, মৌলভী ছৈয়দ নুর, মৌলভী ছিদ্দিক খালবী। উক্ত সময় বেদার মিয়ার বিরম্নদ্ধে মেম্বারগন অনাস্থা দেন বালাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর  ১৯৭৩ সালে সর্বপ্রথম ভোট হয়। এ ভোটে নুরম্নল ইসলাম চেীধুরী প্রকাশ বেদার মিয়াকে পরাজিত করে জালাল আহমদ ফরাজী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উক্ত পরিষদে প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন শাজাহান চৌধুরী লুতু মিয়া।পরের টার্ম অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে আরেক খেলা চলে।এ সময়  লড়াই হয় হাড্ডাহাড্ডি। চেয়ারম্যান পদে জালাল আহমদ ফরাজী, নুরম্নল ইসলাম চৌধুরী প্রকাশ বেদার মিয়া, শাজাহান চৌধুরী লুতু মিয়া, মাইজপাড়ার  ছৈয়দুল করিম চৌধুরী ও পালাকাটার আশরফ আলী কানুনগো।সকলকে কুপোকাত করে শাজাহান চৌধুরী লুতু মিয়া প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনপ্রতিনিধিত্বের উথ্থান শুরম্ন হয়।পরবর্তী ১৯৮০ সালের নির্বাচনেও শাজাহান চৌধুরী লুতু মিয়া আবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।এরশাদ সরকারের আমলে উপজেলা পদ্বতি প্রবর্তন হলে তিনি নির্বাচন করেন এবং বিপুল ভোটে প্রখম কক্সবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উপজেলায় চলে যান। এ সময় ঈদগাও, ইসলামাবাদ ও জালালাবাদ একিভুক্ত ঈদগাও ইউনিয়ন ছিল। একিভুক্ত ঈদগাওর শাষনকর্তা হিসেবে লুতু মিয়ার  পরপরই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মাইজ পাড়ার আলহাজ্ব শাহাজান চৌধুরী। তিনি এক টার্ম শাষনকার্য চলিয়ে হাইস্কুল মাঠে জনসমÿÿতার শাষন কার্যের প্রকাশ্য হিসেব দাখিল করে ১৯৮৮ সালের আগষ্ট মাসে বিদায় নেন।এরপর অবিভক্ত ঈদগাওর সর্বশেষ চেয়ারম্যান ছিলেন দÿÿন মাইজপাড়ার মোসত্মাক আহমদ। এমনি সময়ে  ঈদগাও খাদ্য গুদামের পার্শ্বে সর্বপ্রথম একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করেন মাইজপাড়ার মন্জুরম্নল হক চৌধুরী।অপরদিকে সরাসরি নেতৃত্বের পর্যায়ে না থাকলেও মাইজপাড়ার মোজাহের মাতবর, মাছুয়াখালীর কবির আহমদ চৌধুরী, পোকখালির আমিন মিয়া, রমজান মিয়া, কালিরছড়ার খলিল মুন্সী ও ইলিয়াছ মিয়া চৌধুরী এলাকায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।তারা প্রতিকহল পরিস্থিতি মোকাবেলা, শালিস বিচার ও সমাজ সংস্করনে স্মরণযোগ্য কাজ করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। মোসত্মাক আহমদ চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষেই ঈদগাও  বিভক্ত হয়ে  ঈদগাও,  ইসলামাবাদ ও জালালাবাদ পৃথক ইউনিয়নে রম্নপামত্মরিত হয়।জালাল আহমদ ফরাজীর পরিবারকে সম্মান দেখানোর জন্য উক্ত ইউনিয়নকে জালালাবাদ এবং নুরম্নল ইসলাম চৌধুরীর পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ইসলামাবাদ ইউনিয়ন নামে নামকরণ হয়।শুরম্ন থেকে শেষ পর্যমত্ম শারীরিক, মানসিক এমনকি আর্থিক যোগান সহ ঢাকায় গিয়ে সমস্থ কাজকর্ম সম্পন্ন করেন ইউছুপেরখীলের জাফর আলম প্রকাশ জাফর সাহেব (সাবেক চেয়ারম্যান)।তিনি জানান,এ কাজটি শেষ করতে সে সময়ে ১লাখ ২৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল।এর মধ্যে মোসত্মাক চেয়ারম্যান ৬ হাজার টাকা, নজরম্নল ইসলাম চৌধুরী লেদু মিয়া ৪ হাজার টাকা, মমতাজুল ইসলাম সওদাগর প্রকাশ জাপানি মমতাজ ২হাজার ৫শত টাকা, মিয়াজি পাড়ার এনামুল হক ঢাকা যাতায়াত টিকিট দেন।এছাড়া আমানুলস্নাহ ফরাজী দেন ৬০ হাজার টাকা।বাদবাকী সমস্থ টাকা ঝাফর আলম নিজের টাকা থেকে খরচ করেন।ইউনিয়ন বিবক্তির পর  আলাদা ঈদগাও ইউনিয়নে নেতৃত্ব দেন শাজাহান চৌধুরী লুতু মিয়া, হাজী ছৈয়দ আলম, সোহেল জাহান টৌধুরী (বর্তমান চেয়ারম্যান), আলাদা পোকখালী ইউনিয়নে বিভিন্ন সময়ে রমজান মিয়া, নুরম্নল আমিন মিয়া ,ফিরোজ আহমদ,মৌলভী ফরিদুল আলম (বর্তমান চেয়ারম্যান) , চৌফলদন্ডীর শাষনকার্য চালিয়েছিল মাইজপাড়ার মোসত্মাক আহমদ, মো:আলম(বর্তমান চেয়ারম্যান), অধ্যাপক নুরম্নচ্ছবিহ। ভারম্নয়াখালীর নেতৃত্বে ছিলেন মা: ফজল করিম, মেীলভী আবুল বশর, আবুশামা,আমিনুল হক, জিএম রহিমুলস্না, ডা: আবুল কাশেম (বর্তমান চেয়ারম্যান), আলাদা ইসলামাবাদের প্রথম নেতৃত্বে ছিলেন মনছুর আলম, নজরম্নল ইসলাম,ভারপ্রাপ্ত নুরম্নল ইসলাম.  জাফর অলম, নুরম্নল হক (বর্তমান য়োরম্যান), জালালাবাদের শাসন কার্যের নেতৃত্ব দেন আমান উলস্নাহ ফরাজী, ফরিদুল আলম,এবং ইসলামপুর আলাদা ইউনিয়ন হওয়ার পূর্বে চেয়ারম্যান ছিলেন নাপিতখালীর সুবেদার (অব:) আকতার আহমদ।এরপর আলাদাইউনিয়ন হওয়ার পর  ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি অছিয়র রহমান, মনজুর আলম, মা: আবদুল কাদের (বর্তমান চেয়ারম্যান)।

ঈদগাওর ইতিহাস ঐতিহ্য-৪

ছুফি সাধক ডুলা ফকির মাজারের ‘‘হারা মনি ভবন’’ এক অনন্য নিদর্শন

প্রখ্যাত দ্বীনি আলেম ছুফি সাধক হযরত মরহুম আলহাজ মাওলানা শাহ্ নুরম্নল হক (রা;আ;) প্রকাশ ডুলা ফকির মাজারটি এতদাঞ্চলের আরেক ঐতিহাসিক নিদর্শন।ভারতের মাদ্রাসায় সর্বোচ্চ শিÿায় শিÿÿত সর্বমহলের শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি ছিলেন।মায়ানমারের বাসিন্দা হলেও তাঁর বিচরন পৃখিবীর বিভিন্ন দেশে তাঁর বিচরন ছিল।স্থায়ীভাবে তিনি বৃহত্তর ঈদগাওতে থাকতেন এবং গভীর ভালবাসতেন এতদাঞ্চলের মাটি, মানুষ ও প্রকৃতিকে।কোথাও কোন চাকুরীও করতেন না।বিশিষ্ট এ আলেম ১৯৭৩ সালে ২৬ ফেব্রম্নয়ারী শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ও ইসলামপুরের সীমামত্মবর্তী  জনপদে পাহাড় অধ্যুষিত হাজার হাজার সাজানো  বৃÿঘেরা বিশাল একটি পাহাড়ে ডুলাফকির মাজারটি অবস্থিত। জীবদ্দশায় ডুলা ফকিরের নামে ১৭একর ও তাঁর কাছের সঙ্গী গোমাতলীর মৌলভী আলী আকবর(প্রকৌশলী সুজার পিতা) এর নামে ১৭ একর (দলিলভূক্ত ) মিলে সর্বমোট ৩৪ একর  ভু-সম্পদ উক্ত এলাকায় রেখে গেছেন। রেখে গেছেন।যার অধিকাংশই বর্তমানে বেদখলে।সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত তাঁর কিছু আলৌলিক ÿমতা এলাকার লোকজনকে প্রভাবিত করেছে।এ আলেমের কাজকর্মের কারনে সর্বসাধারন তাঁকে  সম্মান ও শ্রদ্ধা করতো।মরহুম নুরম্নল হক ডুলা ফকির বৃহত্তর ঈদগাও সহ বিভিন্ন এলাকায় ৫২ টি মসজিদ প্রতিষ্টা করেন বলে জানা যায়।এর মধ্যেবোলখালী১১টি, চরপাড়ায়১টি, হাসের দিঘীতে ১টি, কলইস্যা ঘোনা উত্তর পার্শ্বে ১টি, রাজাখালীতে১টি, গোমাতলী ২টি ।বাকীগুলোর নাম জানা যায়নি। বুজুর্গানে দ্বীন মৌলানা নুরম্নল হকের হাতে সবসময়  থাকতো বাশের তৈরি একটি ডুলা, ছাতার পরিবর্তে ব্যবহার করতো জুঁইর।তিনি ভারত,চীন, অষ্ট্রেলিয়া, মায়ানমার(বার্মা), ইরান, ইরাক, আফ্রিকা, মস্কেট সহ ৩৯ টি রাষ্ট্র ভ্রমণ করেন।বিগত ১৯৮৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক এমএ কামাল ‘‘হারা মনি ভবন’’ নামক একটি দর্শনীয় জাদুঘর নির্মান ও উদ্ভোধন করেন। উক্ত ভবনে বিশিষ্ট আওলিয়ার ব্যবহ্ত পোষাক পরিচ্ছেদ সহ নানান সরন্জাম ও শিÿাগত যোগ্যতার সনদপত্র, বই কিতাব ইত্যাদি নিদর্শন সজ্জিতাকারে রয়েছে।সর্বজনশ্রদ্বেয় এ আলেমের দর্শণ লাভ করা এবং তাঁর শিÿায় শিÿÿত অনেকেই রয়েছে এলাকায়।বয়োবৃদ্ধ মোক্তার আহমদ  ডুলা ফকিরের ডুলার কেরামতি সম্পর্কে বলেন, উক্ত পাহাড়ের পার্শ্বে পুকুর খনন কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের বেতন দিতো ডুলা থেকে।তাও শ্রমিকরা নিজ হাতেই নিতো।তিনি শ্রমিককে জিঞ্জাসা করতো কত টাকা মজুরি আসছে।উত্তরে যত টাকা বলতো ডুলা থেকে তত টাকাই তুলে নিতো।কিন্তু বরাবরের মতো ডুলাটি থাকতো টাকা শূন্য। তাছাড়া আরো অনেক আলৌলিক নিদর্শন রয়েছে প্রখ্যাত এ আলেমের। এক সময়ে ডুলা ফকির মাজারে ওরশ উপলÿÿলাখের উপরে লোক সমাগম হতো। ভোর সকাল হতেই বিভিন্ন স্থানের লোকজন তবরম্নক খেত।কখন বছর শেষ হয়ে ওরশ আসছে সে সময়ের জন্য লোকজন অপেÿা করতো।অঞ্জাত কারণে বিগত ১ যুগের চেয়ে বেশি সময় ধরে ওরশ হচ্ছে না।এছাড়া মাজারটি জেলা প্রশাসকের তত্বাবধানে থাকলেও কমিটির স্থানীয় কতিপয় সদস্যদের যাবতীয় উন্নয়ন ও সৌন্দর্য রÿায় বার বার বাধাগ্রস্থ হচ্ছে বলে আশেপাশের  লোকজন জানান।কমিটিতে ছিলেন বেশিরভাগ ঘুনে ধরা বয়স্ক ব্যক্তি, যারা গতি সৃষ্টি করতে পারেনি।  ভু সম্পত্তি বেদখলে যাওয়ার কারণে দায়ী একমাত্র স্থানীয় নেতৃত্বদানকারী বলে উলেস্নখ করেন ডুলা ফকির ভক্ত সমাজ।।সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আলমের সাথে কথা বলে জানা গেছে খুবই আলৌলিক শক্তির অধিকারি ছিলেন ডুলাফকির সাহেব। 

ঈদগাওর ইতিহাস ঐতিহ্য- ৫

হযরত পেটান শাহের সেই দুর্লভ হাতের লেখা এখনো রহস্যের বেড়াজালে

ঈদগাওর আরেক বিশিষ্ট আওলিয়ার নাম হযরত শাহ্ ছুফি পেটান শাহ।বর্তমান আওলিয়াবাদ গ্রামেই জন্মগ্রনকারী এ ছুফি সাধক পেটান ফকির হিসেবে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক পরিচিত।বড় মাপের একজন আওলিয়া শুয়ে আছেন সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের গজালিয়া সড়কের পার্শ্ববর্তীঈদগাও নদীর পাড়ে সুউচ্চ পাহাড়ের চুড়ায়। মাজারটি তেমন একটা উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি। বলতে গেলে কোন প্রকার তথ্যবিহীন, জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকলেও তাঁর নাতি বয়োবৃদ্ধ কবির আহমদ খাদেম হিসেবে দেখাশুনা করছে। আরাকান সড়কের একটু পূর্বপার্শ্বে অবস্থিত এ আওলিয়ার মাজার কালের স্বাÿী হয়ে রয়েছে। পেটান শাহ বরকতময় পবিত্র মাসে পবিত্র দিনে ইহকাল ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর তারিখ ১৯৭৬ সালের ১৪ রমজান শুক্রবার ১১টা ৩০ মিনিটে। কোন প্রকার প্রাতিষ্টানিক লেখাপড়া কিংবা শিÿাগত যোগ্যতা এমনকি অÿরজ্ঞান  না থাকলেও তাঁর হাতের লেখা এখনো কেবলই স্মৃতি। কি লিখতেন তিনি ? কেন লিখতেন ? উক্ত লেখার মধ্যে কি অর্থ রয়েছে। তা কেউ ভাবেনি।হয়তো এমনই তথ্য থাকতে পারে তা মানুষের, সমাজের, দেশের কোন না কোন উপকারে আসতে পারে। অথবা কোন চাঞ্চল্য কিছু রয়েছে।কোন ভাষাবিদ বা অভিজ্ঞ কেউ আজ পর্যমত্ম গবেষনা করে উক্ত লেখার মর্মার্থ আবিষ্কার করতে পারেনি। স্থানীয় প্রত্যÿদর্শী মরববীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ছুফি সাধক পেটান শাহ সন্ধ্যার পর বেশিরভাগ সময় কাটাতেন গভীর বনাঞ্চলে বাঘ ও হাতির আড্ডাখানায়। তাঁর মৃত্যুর পর কবরের পার্শ্বে একাধিকবার বন্যপ্রাণির দর্শণ তারই প্রমাণ মেলে। মাজারেরপার্শ্ববর্তী বাড়ির ষাটের কাছাকাছি বয়স্ক মোসত্মাক আহমদ জানান মৃত্যুর পরও তাকে রাতে অনেকবার হাটাহাটি করতে দেখা গেছে। তিনি আরো জানান জীবদ্দশায় হালকা পাতলা শারিরীক গঠন ছিল।  সবসময় কাগজ কলম হাতে থাকতো।লিখতো শুধু লিখতো। কিন্তু কি লিখতো কেউ বুঝার সাধ্য নেই। কথা  বলতো কম কাজ করতো বেশি। চা পান করতো ঘন ঘন। একই এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যানের পিতা ও মমতাজুল উলুম ফরিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্টাতা আলহাজ মমতাজুল ইসলাম সওদাগর প্রকাশ জাপানি মমতাজ পেটান শাহের কাছাকাছি সান্নিধ্যে ছিলেন।এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি স্বচÿÿএকাধিক ঘটনা দেখেছি। এর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হচ্ছে একদিন ঈদগাও বাস ষ্টেশনে ছৈয়দ সওদাগরের দোকানে পেটান শাহ সহ চা পানরত অবস্থায় হঠাৎ আরেক ছুফি সাধক ডুলা ফকির উপস্থিত হয়। এ সময় স্বয়ং ডুলা ফকির সাহেব পেটান শাহকে সম্মান দেখান এবং বলেন পেটান শাহ আওলিয়াদের সেক্রেটারী। অপর এক ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন যখন আমি ভোমরিয়াঘোনা রেঞ্জের কাছাকাছি জায়গায় অবস্থান করেছিলাম তখন পেটান শাহ একটি রাসত্মা দিয়ে গভীর জঙ্গলের দিকে হাটছে।এ সময় দুর থেকে দেখতে পেলাম একটি হাতি এগিয়ে আসছে।পেটান শাহকে দেখার সাথে সাথে হাতিটি লাফ দিয়ে পাশের খাদে পড়ে বসে থাকে। তাঁর মৃত্যুর পর যথাসম্ভব মাজার শাসন সংরÿন করা হয়।  মরহুমের নাতি কবির আহমদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিশাল কবরস্থানের এক পার্শ্বে মাজার টি করা হয়েছে। এরই কাছাকাছি একটি জামে মসজিদ প্রতিষ্টিত হয়েছে। কোন প্রকার তথ্য সংরÿÿত করা হয়নি। তবে প্রচেষ্টা চলছে।

ঈদগাওরইতিহাসঐতিহ্য-৭

“ঈদগাওবারআওলিয়া”একঅনন্যস্মৃতিতেমুহ্যমানঅতিপ্রাচিন১২টিবিশালবৃক্ষ

প্রায়৪’শবছরেরপ্রাচিনঐতিহ্যকেআজোধরেরেখেছেবিশালআকারেরসেইবারআওলিয়ারদরগাহরবারটিতেলসুরবৃক্ষ।ঈদগাওবাসষ্টেশনেরসামান্যপূর্বদিকেপুরনোএকটিকবরস্থানেরমাঝেইবৃক্ষরাজিপূর্ণসমতলজায়গায়এদরগাহটি  অবস্থিত।কথিতআছে১২আওলিয়াপ্রতিবৃহষপতিবারএখানেএকত্রিতহয়েজিকিরকরে। অবশ্যএতথ্যটিমুখথেকেবেরকরেছিলেনবোয়ালখালীগ্রামেরঅধিবাসি  বিশিষ্টদ্বীনিআলেমহযরতআবদুররহমানজামি(র:)। তিনিছিলেনঈদগাওরসর্বোচ্চদ্বীনিশিক্ষাপ্রতিষ্টানআলমাছিয়াকামিলমাদ্রাসারশিক্ষক।যদিওবাতিনিশিক্ষকতবুওতারচালচলন, ব্যবহার, খাওয়াদাওয়াসহসমস্তকাজকর্মঅন্যষ্টাইলের। রাতকিংবাদিন, ঝড়হোকবারোদহোক, এমনকিগোসলকরারসময়ওতাঁরহাতেথাকতোখোলাছাতা। প্রাতিষ্টানিককাজশেষেতিনিসোজাচলেআসতেনদরগাহপাড়ারসেইবিশালকবরস্থানে।ঘনবৃক্ষেরজঙ্গলবেষ্টিতকবরস্থানেরমাঝামাঝিজায়গায়ছোট্টএকটিঘরতৈরিকরেএকাকীরাতদিনকাটাতেথাকে।জিকির, নামায, ওদরগাহরক্ষনাবেক্ষনেব্যস্তথাকতেন।পরবর্তীতেউক্তঘরেরসামনেমাটিরগুদামওছনেরছানিযুক্তএকটিমসজিদছিল। তাঁরজীবনের৩৩বছরএখানেইকাটানএবংবিগত১৯৯৫সালেতিনিশেষনি:শ্বাসত্যাগকরেন।তখনআশেপাশেতেমনঘরবাড়িগড়েউঠেনি। এলাকারসবচেয়েপ্রবীণমুরব্বীহাজীনুরুলহকজানান, ষাটেরদশকেএলাকায়বেশকয়েকটিবাড়িছিল। বিভিন্নস্থানথেকেসবেমাত্রলোকআসতেশুরুকরেছে। তিনিআরোজানানতিনিনিজেসহমীরআহমদসওদাগর, মো: কালু, এজাহারড্রাইভার, ফরিদুলআলমপ্রকাশকুরাআলম, মমতাজআহমদপ্রকাশপুথিমমতাজ, আমিরহামজা, উলামিয়াওমীরআহমদপ্রকাশচেরাগআহমদ, শহরমুল্লুক, মোখলেছুররহমানআশেপাশেবসতঘরতৈরিকরেবারআওলিয়াদরগাহনিয়েকাজশুরুকরেন। মাওলানাআবদুররহমানজামিরখোজখবরনিতেন। যতটুকুসম্ভবখাবারওযোগানদিতেন। বয়োবৃদ্ধনুরুজানান, আমারসহযোগিমুরব্বীরাএখনবেচেনেই।একমাত্রআমিইস্বাক্ষীহিসেবেরয়েছি।দরগাহনুরাগীপাশ্ববর্তীবাড়িরমালিকব্যবসায়ীমোস্তাকআহমদজানান, তারনিকটাত্মীয়গফুরেরমা’রকাছথেকেযাশুনেছেনতাহচ্ছে, দরগাহসংলগ্নবিশালপুকুরটিএকসময়পাড়ারমহিলারাব্যবহারকরতো।একদিনকলসিনিয়েউক্তপুকুরেপানিআনতেগিয়েতিনিআরেকআওলিয়াওয়াজকরনী(র:) কেদেখেছিলেন। তখনথেকেইভক্তিশ্রদ্ধাবাড়তেইখাকে। স্থানীয়মুরব্বীওনিয়মিতমুসল্লীআবদুরমিদ, শাহআলম, হাফেজমৌলানাসিরাজুলহক, নুরুলইসলাম, মো:ইসলামমিস্ত্রি, মকতুলহোছনড্রাইভার, আলতাজআহমদ, জানান, বারজনআওলিয়াএখানেজিকিরকরারদৃশ্যমাওলানাআবদুররহমানজামি(র:)রমাধ্যমেইপ্রকাশহয়েছে। ঐতিহ্যেরধারক১২টিবহুপ্রাচিনগাছগুলোনিয়েওরয়েছেনানানআলৌলিককাহিনী। স্থানীয়রাজানান, ঈদগারতৎকালীনপেশাদারগাজাবিক্রেতাজেবরমুল্লুকউক্ত১২টিগাছেরএকটিরঢালকেটেগাজাসেবনেরকলকিতৈরিকারারজেরধরে্ওইগাজাবিক্রেতারশরীরধীরেধীরেকুজো(বাঁকা) হয়েপড়েএবংপরবর্তীতেসেমারাযায়। অপরএকটিগাছবজ্রপাতেদু’ভাগহয়েগিয়েছিল। কেউএটাছুঁয়েওদেখেনি।একপর্যায়েআপনাআপনিইগাছটিপূর্বেরঅবস্থায়ফিরেআসে। অপরএকটিগাছেরনিচেগর্তহয়েযায়এবংরক্তেরমতোরঙ্গীনপানিবেরহয়েসরাসরিপুকুরেগিয়েপড়ারকারনেগাছটিকেটেফেলাহয়। কিন্তুউক্তগাছেরঢালপালাকেনেপালপাড়ারলেড়াপিয়নামেরএকব্যক্তি। রহস্যজনকব্যাপারহচ্ছেউক্তগাছেরঢালপালাকেনেআবারবিক্রিরপরহতেই্ওইব্যক্তিএকেবারেদেওলিয়াহয়েগেছে। বারআওলিয়াদরগারএকটিকমিিিটরয়েছে।উক্তকমিটিস্থানীয়ওপ্রবাসীদেরঅর্থায়নেমসজিদটিকেপাকাকরেছে।এখনোসংস্কারকাজচলছে। বিশিষ্টআলেমমাওলানাআবদুররহমানজামিরনামেএকটিহেফজখানাওএতিমখানাপ্রতিষ্টাকরাহয়েছে। বর্তমানবৃহত্তরঈদগাওরবিশিষ্টদ্বীনিবক্তাএজিলুৎফুলকবিরদাখিলমাদ্রাসারশিক্ষকমৌলভীআবদুররহমানআজাদলেখাপড়াশিখেছেনবিশিষ্টদ্বীনেবুর্জগানআবদুররহমানজামিসাহেবেরকাছহতে।ঈদগাওআলমাছিয়ামাদ্রাসারঅধ্যাপকবিশিষ্টশিক্ষাবিদফিরোজআহমদজানান, আবদুররহমানজামিকোনসাধারনমানুষনন।তিনিবড়ধরনেরআলেম।একজনআওলিয়া।অনলাইনপত্রিকাঈদগাওনিউজডটকমচেয়ারম্যানমো; রেজাউলকরিমেরদৃষ্টিতে  আবদুররহমানজামিহুজুরএকজনঅসাধারনব্যক্তিছিলেন।আধ্যাত্মিকআল্লাওয়ালাএব্যক্তিকোরাানেরবিভিন্নফরায়েজসম্পর্কেখুবইঅভীজ্ঞছিলেন। সাংবাদিকমিজানুররহমানআজাদেরমতেতিনি  আল্লাহরএকজনখাটিবান্দাআবদুররহমানজামি(র:) সরকারীবেসরকারীওব্যক্তিউদ্যোগেঐহিহাসিকদরগাহটিরবিরাজিতনানানসমস্যাদূরীকরনেএগিয়েআসাপ্রয়োজনমনেকরেনধর্মপ্রানমুসল্লী, কমিটিরসদস্যওএলাকাবাসী।

ছবি



Share with :
Facebook Twitter